Environmental Science Chapter: 3
সম্পদ ও শক্তি
1. বৃদ্ধি বিন্যাস কাকে বলে?
উঃ জীবসংখ্যার বৃদ্ধি ও পরিবর্তন একটি নির্দিষ্ট গতি ও নিয়মে হয়। একে জীববৃদ্ধির বিন্যাস বলে। এটি দু-প্রকারের দেখা যায়। ‘J’ আকারের বৃদ্ধি বিন্যাস ও ‘S’ আকারের বৃদ্ধি বিন্যাস।
2. পরিবেশগত চাপ কালে বলে?
উঃ যখন কোন নির্দিষ্ট পরিবেশে একটি প্রজাতির জীবসংখ্যা অত্যধিক হারে বৃদ্ধি পায় তখন খাদ্য, বাসস্থান প্রভৃতির অভাব ঘটে, এবং জীবসংখ্যায় তার বিরূপ প্রভাব পড়ে। এই প্রভাবকে পরিবেশগত চাপ বলে।
3. ধারণক্ষমতা কাকে বলে?
উঃ একটি নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট বাসস্থানে কোন প্রজাতির সর্বাধিক সংখ্যা বহন করার ক্ষমতাকে ধারণ ক্ষমতা বলে।
4. মানুষের সংখ্যার অত্যধিকা হারে বৃদ্ধির প্রধান কারণ কী?
উঃ কৃষিকার্যে ফলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানের অভূতপূর্ব সাফল্য।
5. কোন সালকে বিশ্ব জনসংখ্যা বর্ষ ঘোষণা করা হয়েছিল?
উঃ.১৯৭৪ খ্রীষ্টাব্দকে।
6. গত ১০০ বছরে ভারতের জনসংখ্যা কি হারে বৃদ্ধি পেয়েছে?
উঃ প্রায় ৩.৫ গুণ বৃদ্ধি ঘটেছে।
7. বর্তমান ভারতের কত অংশ ভূমি অরণ্যে আচ্ছাদিত?
উঃ প্রায় ১৪ শতাংশ, যেখানে একটি দেশের মোট ভূমির ৩৩ শতাংশ অরণ্য থাকা প্রয়োজন।
8. ভারতের কত সংখ্যাক মানুষেরা বন্যাপ্রবণ অঞ্চলে বাস করে?
উঃ প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি মানুষ।
9. ভারতবর্ষে সহনযোগ্য শব্দমাত্রা কত?
উঃ দিনের বেলায় ৬৫ ডেসিবল এবং রাতের সময় ৫৫ ডেসিবল
10. কোন ধরণের বৃদ্ধি বিন্যাসে পপুলেশান বৃদ্ধির হার অত্যন্ত দ্রুত হয়?
উঃ J আকারের।
11. মানুষের বৃদ্ধিতে কোন ধরণের বৃদ্ধি বিন্যাস দেখা যায়?
উঃ S আকারের।
12. জনসংখ্যা তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
উঃ ম্যালথাস।
13. শিল্পবিপ্লব কবে শুরু হয়?
উঃ অষ্টাদশ শতাব্দীতে।
14. আমরা যে ছায়াপথে বাস করি তার নাম কী?
উঃ মিল্কি ওয়ে।
15. পি. আর. আরলিক ও এ. আরলিক দ্বারা লিখিত বই এর নাম কী?
উঃ দ্য পপুলেশান এক্সপ্লোসান।
16. Silent Spring বা নীরব বসন্ত বইটি কার লেখা?
উঃ শ্রীমতি র্যাচেল কার্সনের লেখা।
17. NON-DEGRADABLE-কথাটির অর্থ কী?
উঃ যেসব বর্জ্য পদার্থ মাটি, জল ও বাতাসের মেশে না তাদের NON-DEGRADABLE পদার্থ বলে। যেমন – প্লাস্টিক।
18. বিশ্বব্যাঙ্ক কর্তৃক নির্ধারিত দারিদ্র্যের সংজ্ঞা কী?
উঃ দৈনিক মাথাপিছু আয় এক মার্কিন ডলারের কম হলে সেই ব্যক্তিকে দরিদ্র বলে চিহ্নিত করা হয়।
19. আফ্রিকা মহাদেশের দূর্ভিক্ষ পীড়িত দুটি দেশ কী কী?
উঃ ইথিওপিয়া ও সোমালিয়া।
20. জনসংখ্যার হতাশা তত্ত্বের জনক কাকে বলা হয়?
উঃ টি. আর. ম্যালথসকে।
21. জৈব সঞ্চয়ন কাকে বলে?
উঃ মানুষ এবং অন্যান্য জীবজন্তুর শরীরে খাদ্যের মাধ্যমে পারদ, ডি ডি টি প্রভৃতি বিষাক্ত পদার্থ সঞ্চিত হলে তাকে জৈব সঞ্চয়ন বলে।
22. ধোঁয়াশা কী?
উঃ গাড়ি, কারখানার চিমনি ও উনুনের ধোঁয়া বাতাসের জলীয় বাষ্পের সঙ্গে মিশে যে কুয়াশাচ্ছন্ন অবস্থার সৃষ্টি করে তাকে ধোঁয়াশা বলে।
23. সম্পদ কাকে বলে?
উঃ কোন বস্তু বা পদার্থ যে কাজ সম্পন্ন করে, বা কোন বস্তু বা পদার্থের মধ্যে যে কার্যকরী শক্তি নিহিত রয়েছে তাকে সম্পদ বলে।
24. প্রাকৃতিক সম্পদ কাকে বলে?
উঃ প্রাকৃতিক সম্পদ বলতে সেই সকল বস্তুকে বোঝায় যেগুলি মানুষ দ্বারা সৃষ্টি হয়নি। যেমন –সূর্যের আলো, তাপ, বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেন, খনিজ পদার্থ ইত্যাদি।
25. নবীভবনযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদের একটি উদাহরণ দাও?
উঃ বনাঞ্চল।
26. চক্রাকার প্রাকৃতিক সম্পদের উদাহরণ কী?
উঃ জল।
27. ভারতবর্ষের কোন কোন রাজ্যে বনাঞ্চলের পরিমাণ বেশি?
উঃ আসাম, উড়িষ্যা ও মধ্যপ্রদেশ।
28. ধাতব খনিজ সম্পদ কোনগুলি?
উঃ লোহা, তামা, সোনা, অ্যালুমিনিয়াম প্রভৃতি।
29. তামা ভারতের কোন অঞ্চলে পাওয়া যায়?
উঃ বিহারের সিংভূম ও হাজারিভাগ।
30. অধাতব খনিজসম্পদ কোনগুলি?
উঃ কয়লা, পেট্রোলিয়াম।
31. পরিবেশের উপর সিটিজেনস্ রিপোর্ট প্রকাশকারী সংস্থার নাম কী?
উঃ সেন্টার ফর সায়েন্স এণ্ড এনভায়রণমেন্ট
32. অ্যালুমিনিয়ামের আকরিকের নাম কী?
উঃ বক্সাইট।
33. ভারতবর্ষে তামার আকরিক কোথায় পাওয়া যায়?
উঃ সিংভূম।
34. জেরোফাইট উদ্ভিদ কোথায় দেখা যায়?
উঃ মরুভূমি অঞ্চলে।
35. চিরাচরিত শক্তি কাকে বলে?
উঃ যে সকল উৎস থেকে বহু যুগ ধরে মানুষ জ্বালানি শক্তি আহরণ করে চলেছে সেই শক্তিকে চিরাচরিত শক্তি বলে। যেমন – কয়লা, খনিজ তেল।
36. অচিরাচরিত শক্তি কাকে বলে?
উঃ যে উৎসগুলি থেকে মানুষ ইদানীং জ্বালানি শক্তি আহরণ করার চেষ্টা করছে সেই সব শক্তি গুলিকে অচিরাচরিত শক্তি বলে। যেমন – জোয়ার-ভাটা, সৌরশক্তি।
37. জৈবশক্তি কাকে বলে?
উঃ জীবন বা প্রাণ থেকে উৎসারিত শক্তিকে জৈবশক্তি বা প্রাণশক্তি বলে। যেমন – উদ্ভিদ, জীবজন্তু, মানুষ ইত্যাদি থেকে উদ্ভুত শক্তি।
38. জড় শক্তি কাকে বলে?
উঃ জড় পদার্থ থেকে আহরিত শক্তিকে জড়শক্তি বলে। যেমন – কয়লা, পেট্রোলিয়াম থেকে প্রাপ্ত শক্তি।
39. ভারতবর্ষের দুটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের নাম লেখ।
উঃ ভাকরা-নাঙ্গাল ও হীরাকুঁদ।
40. তড়িৎকোষ কে, কবে আবিষ্কার করেন?
উঃ ১৭৯৯ খ্রীষ্টাব্দে অ্যালেজান্দ্রো ভোল্টা।
41. কে, কবে ডায়নামো আবিষ্কার করেন?
উঃ মাইকেল ফ্যারাডে, ১৮২০ খ্রীষ্টাব্দে।
42. কোটাল শক্তি কাকে বলে?
উঃ জোয়ার-ভাটার সময় জলের উচ্চতাকে কাজে লাগিয়ে যে শক্তি উৎপন্ন করা হয় তাকে কোটাল শক্তি বলে।
43. ভারতের দুটি পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্রের নাম লেখ।
উঃ কালপক্কম ও ট্রম্বে।
44. OPEC-এর পুরো অর্থ কী?
উঃ Organization of the Petroleum Exporting Countries.

No comments