Header Ads

Environmental Science:1

 পরিবেশ বিজ্ঞান: ১

পরিবেশের উপাদান

1.    পরিবেশ কাকে বলে? 

উঃ উদ্ভিদ ও প্রাণীজগৎ সুস্থ স্বাভাবিক ভাবে বেঁচে থাকার জন্য যে পারিপার্শ্বিক অবস্থার প্রয়োজন হয় তাকে পরিবেশ বলে। 

অন্যভাবে বলা যায়- আমাদের চারপাশের মাটি, জল, জঙ্গল, মরুভুমি, সমুদ্র, পাহাড়-পর্বত সেখানকার আলো, বাতাস, অন্ধকার এবং আমাদের প্রতিবেশী পশু-পাখী, কীট পতঙ্গ, জীবজন্তু, জীবানু, উদ্ভিদ এবং মানুষ – এদের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া নিয়ে আমাদের যে পরিবেষ্টনী বা মাধ্যম তাকে পরিবেশ বলে। 


2.    পরিবেশ পাঠের মূল প্রয়োজনীয়তা কী? 

উঃ পরিবেশ পাঠের দ্বারা আমরা পরিবেশের বিভিন্ন ঘটকের ক্রিয়াপদ্ধতি জানতে পারি, বিভিন্ন পরিবেশগত ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পারি এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সচেষ্ট হতে পারি। 


3.    পরিবেশের উপাদানগুলি কী কী? 

উঃ পরিবেশের উপাদানগুলিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। অজৈব উপাদান যথা – জল, আলোক, মৃত্তিকা প্রভৃতি এবং জৈবিক উপাদান যথা – উদ্ভিদ, প্রাণী ও অনুজীব। 


4.    মৃত্তিকার প্রধান প্রধান উপাদানগুলি কী কী? 

উঃ খনিজ পদার্থ, জৈব পদার্থ, জল, বায়ু এবং ক্ষুদ্র জীবকুল। 


5.    হিউমাস কাকে বলে? 

উঃ বিভিন্ন উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাংশের গলিত পচিত অংশ ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক প্রভৃতির দ্বারা বিঘটিত হয়ে মাটির সঙ্গে মিশে একটি কালো বর্নের মৃত্তিকা সৃষ্টি করে। একে হিউমাস বলে। এর উপস্থিত মৃত্তিকার উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। 


6.    ভূ-মণ্ডলের মৃত্তিকা কয়টি স্তরে বিভক্ত কী কী? 

উঃ পাঁচটি হরাইজন বা স্তরে বিভক্ত। এগুলি হল – O, A, B, C, এবং R। 


7.    অবশিষ্ট মৃত্তিকা কাকে বলে? 

উঃ মাতৃপ্রস্তর খণ্ড থেকে উৎপন্ন হয়ে মৃত্তিকা যখন সেই প্রস্তরখণ্ডের উপরেই অবস্থান করে এবং পরিবাহিত হয়ে অন্যস্থানে যায় না তাকে অবশিষ্ট মৃত্তিকা বলে। 


8.    গঠন অনুসারে মৃত্তিকাকে কি কি ভাগে ভাগ করা যায়? 

উঃ চার ভাগে। বেলে মাটি, দোঁয়াশ মাটি, পলিমাটি এবং এঁটেল মাটি। 


9.    ইউনিভার্সাল সলভেন্ট বা মহাদ্রাবক কাকে বলে? 

উঃ জলকে। কারণ এর মধ্যে বেশীরভাগ দ্রাবগুলি দ্রবীভূত হতে পারে। 


10.    জীবদেহের কত অংশ জল দ্বারা তৈরী ? 

উঃ প্রায় ৭০ শতাংশ। 


11.    বৃষ্টিপাত কী কী পদ্ধতিতে হতে পারে? 

উঃ Rain, Snow, Hail, Sleet ইত্যাদি পদ্ধতিতে। 


12.    কোষের সমস্ত নির্দেশের গুদামঘর কাকে বলে? 

উঃ DNA কে। 


13.    পৃথিবীতে কোন জাতীয় প্রাণীর সংখ্যা অত্যন্ত দ্রুত হারে কমছে? 

উঃ পাখির সংখ্যা। 


14.    আলোক শক্তিকে উদ্ভিদ খাদ্যের মধ্যে কোন শক্তিরূপে সঞ্চিত রাখে? 

উঃ রাসায়নিক শক্তিরূপে। 


15.    ‘B’ হরাইজন কোন বর্ণের মৃত্তিকা দ্বারা গঠিত? 

উঃ কালো বর্ণের। 


16.    কোন হরাইজনে জলের স্তর দেখা যায়? 

উঃ R হরাইজনে। 


17.    কোন মাটিতে বালি ও পলির পরিমাণ প্রায় সমান? 

উঃ দোঁয়াশ মাটিতে। 


18.    বায়ুতে উপস্থিত জলের আর্দ্রতা মাপা হয় কোন যন্ত্রের সাহায্যে? 

উঃ হাইগ্রোমিটার। 


19.    জীবের পরিবেশের সঙ্গে পরিবর্তিত হওয়ার ক্ষমতাকে কী বলে? 

উঃ অভিযোজন। 


20.    ১৯৯৭ সালে পরিবেশের উপর রাষ্ট্রসংঘের সভা আয়োজিত হয়? 

উঃ জেনেভা শহরে। 


21.    অম্লবৃষ্টির জন্য দায়ী কোন গ্যাস? 

উঃ সালফার ডাই অক্সাইড গ্যাস। 


22.    CFC এর পুরো নাম কী? 

উঃ ক্লোরো ফ্লুরো কার্বন। 


23.    মানুষের বিজ্ঞানসম্মত নাম কী? 

উঃ হোমো সেপিয়েন্স। 


24.    বর্জ্য পদার্থ থেকে কোন গ্যাস বের হয়? 

উঃ হাইড্রোজেন সালফাইড (H2S) গ্যাস। 


25.    লাইকেন কী? 

উঃ শৈবাল ও ছত্রাকের মিথোজিবীতা। 


26.    সাইক্লোনের ঘূর্ণির মধ্যাঞ্চলকে কী বলে? 

উঃ চোখ। 


27.    ম্যানগ্রোভ জাতীয় গাছ কোথায় দেখা যায়? 

উঃ সমুদ্র ও স্থলের মিলনস্থলে (সুন্দরবনে)। 


28.    পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বায়ুস্তরের উচ্চতা কত? 

উঃ ১৬০০ কিমি। 


29.    বায়ুতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ কত? 

উঃ ৭৮ শতাংশ। 


30.    বায়ুতে অক্সিজেনের পরিমাণ কত? 

উঃ ২০ শতাংশ। 


31.    আমরা যে বায়বীয় স্তরে বাস করি তার নাম কী? 

উঃ ট্রপোস্ফিয়ার। 


32.    পৃথিবীতে উপস্থিত মোট জলের শতকরা কত ভাগ সমুদ্রে অবস্থিত? 

উঃ ৯৭ শতাংশ। 


33.    Environmental Science গ্রন্থটি কার লেখা? 

উঃ আর্মস ১৯৯৪ সালে এবং বট্‌কিণ্‌ এবং কেলার ১৯৯৫ সালে। 


34.    পরিবেশবাদ কাকে বলে? 

উঃ পরিবেশের অবস্থা ও সমস্যাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন উৎস থেকে যে মতামত ও চিন্তাধারার উৎপত্তি হয়েছে তাকে পরিবেশবাদ বলে। 


35.    পরিবেশবাদী কাদের বলে? 

উঃ পরিবেশবাদে যারা বিশ্বাস করেন ও পরিবেশকে সুস্থ-স্বাভাবিক রাখার জন্য যারা চেষ্টা করেন তাদের পরিবেশবাদী বলে। 


36.    প্রাকৃতিক পরিবেশ কাকে বলে? 

উঃ প্রকৃতি নিজে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিটি জীবের সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য যে উপাদানগুলি তৈরি হয়েছে সেই উপাদানগুলির সমষ্টিকে প্রাকৃতিক পরিবেশ বলে।


37.    বারিমণ্ডল কাকে বলে? 

উঃ শিলামণ্ডলের যে সব নিচু অংশ জলে পরিপূর্ণ হয়ে সাগর, মহাসাগর, হ্রদ, নদী ইত্যাদি গড়ে তুলেছে সেই জলমগ্ন অঞ্চলগুলিকে একত্রে বারিমণ্ডল বলে। 


38.    প্রাকৃতিক বাসভূমি কাকে বলে? 

উঃ পৃথিবীর যে স্থানে অনুকূল পরিবেশের সাহায্যে কোন একটি জীব বা জীবগোষ্ঠী স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকে, দলবেঁধে বসবাস করে, তাকে প্রাকৃতিক বাসভূমি বলে। 


39.    জীবমণ্ডল কাকে বলে? 

উঃ উদ্ভিদ ও প্রাণীজগতের সমষ্টিকে জীবমণ্ডল বলে। 


40.    Biogeography বইটি কার লেখা? 

উঃ বিজ্ঞানী জে টিভি ১৯৮২ সালে। 


41.    বসতি কাকে বলে? 

উঃ যে পরিবেশ বা অঞ্চল মানুষ, প্রাণী বা উদ্ভিদের অবস্থানকে সুনিশ্চিত করে তাকে বসতি বলে। 


42.    সিয়াল কাকে বলে? 

উঃ ভূ-ত্বকের উপরের অংশ অপেক্ষাকৃত লঘু গ্রানাইট জাতীয় আম্লিক শিলায় গঠিত। এই শিলায় সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়ামের ভাগ বেশি থাকে বলে একে সিয়াল বলে। 


43.    সীমা কাকে বলে? 

উঃ ভূ-গর্ভস্থ ব্যাসল্ট শিলাস্তরে সিলিকন ও ম্যাগনেশিয়াম বেশি থাকে বলে এই স্তরকে সীমা বলে। 


44.    জৈব ভূ-রাসায়নিক চক্র কাকে বলে? 

উঃ পরিবেশ ও জীবজগতের মধ্যে যে একাধিক রাসায়নিক উপাদান চক্রাকারে আবর্তিত হচ্ছে তাকেই জৈব ভূ-রাসায়নিক চক্র বলে। 


45.    ভূ-পৃষ্ঠের গড় উষ্ণতা কত? 

উঃ ২২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। 


46.    অ্যামিনো আসিড কি করে তৈরি হয়? 

উঃ বজ্রপাতের ফলে অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের মিশ্রনের ফলে অ্যামিনো অ্যাসিড তৈরি হয়। 


47.    ড্রায়োপিথেমিন কী? 

উঃ প্রায় আড়াই (২.৫) কোটি বছর আগে মিয়োথিন স্তর থেকে প্রাপ্ত জীবাশ্মকে বলা হয় ড্রায়োপিথেমিন। 


48.    পৃথিবীর কেন্দ্রমণ্ডলের তাপমাত্রা কত? 

উঃ ৪০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। 


49.    ভৌমজল কী? 

উঃ যে জল ফাটল দিয়ে ভূ-গর্ভের ভিতরে প্রবেশ করে অসংবদ্ধ শিলাখণ্ডের জলভাণ্ডার সৃষ্টি করে তাকে ভৌমজল বলে। 


50.    কনরাড বিযুক্তি কী? 

উঃ মহাদেশগুলির তলদেশে গ্রানাইট ও ব্যাসল্ট শিলাস্তরের মিলনরেখাকে কনরাড বিযুক্তি বলে।


No comments

Powered by Blogger.