Header Ads

History of Ancient India

 



প্রাক্‌ বৈদিক যুগ


1. কে কত সালে হরপ্পা ও মহেঞ্জদারো সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেন? 


উঃ ১৯২২ খ্রীঃ রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও দয়ারাম সাহানী। 


2. মহেঞ্জদারোয় আবিষ্কৃত শস্যাগারের আয়তন কত ছিল? ব্যসাম এটিকে কার সঙ্গে তুলনা করেছেন? 


উঃ দৈর্ঘ্যে ২০০ ফুট এবং প্রস্থে ১৫০ ফুট। ব্যাসাম এটিকে রাষ্ট্রীয় ব্যাঙ্কের সঙ্গে তুলনা করেছেন। 


3. খ্রীষ্টের জন্মের কত বছর আগে ভারতে মানুষের বসবাস শুরু হয় বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন? 


উঃ প্রায় ৫ লক্ষ বছর আগে। 


4. আনুমানিক কত বছর আগে ভারতে প্রাচীন প্রস্তর যুগের অবসান হয় বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন? 


উঃ আনুমানিক ৮০০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে। এই যুগে মানুষ ছিল খাদ্য সংগ্রাহক। 


5. নব্য প্রস্তর যুগের একটি অন্যতম আবিষ্কারের নাম কর। 


উঃ চাকা। 


6. মহেঞ্জোদারোয় আবিষ্কৃত স্নানাগারের আয়তন কত ছিল? 


উঃ দৈর্ঘ্যে ৮০ ফুট এবং প্রস্থে ১০৮ ফুট। এর চারিদিক ঘিরে আছে ৮ ফুট উঁচু ইঁটের দেওয়াল কেন্দ্রস্থলে আছে একটি জলাশয় যা, ৩৯ ফুট লম্বা ২৩ ফুট চওড়া এবং ৮ ফুট গভীর। 


7. বিশ্বের প্রাচীনতম বন্দরের নাম কী? এই বন্দরে রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান উপকরণগুলি কী ছিল? 


উঃ লোথাল। সূতীবস্ত্র ও তুলা ছিল রপ্তানী বাণিজ্যের প্রধান উপকরণ। 


8. সিন্ধু সভ্যতার সমসাময়িক তিনটি প্রাচীন সভ্যতার নাম লেখ। 


উঃ সুমেরীয় সভ্যতা, মিশরীয় সভ্যতা ও আক্কাদীয় সভ্যতা। 


9. কাকে নীলনদের দান বলা হয়? 


উঃ মিশরীয় সভ্যতাকে। 


10. কোন কোন সভ্যতার উপর ট্রাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর গুরুত্ব অসীম? 


উঃ সুমের ও মেসোপটেমিয়ার সভ্যতার উপর। 


11. প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের বিভিন্নতা অনুসারে পণ্ডিতরা ভারতবর্ষকে মোট কয়টি ভাগে ভাগ করেছেন? 


উঃ ৫ টি ভাগে। 


12. প্রাচীন ভারতে কোন জাতি সর্বপ্রথম এক উন্নত সভ্যতা গড়ে তুলেছিল? 


উঃ দ্রাবিড় জাতি। 


13. কে ভারতকে ‘মহামানবের সাগরতীর’ বলে বর্ণনা করেছেন? 


উঃ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। 


14. কোন ঐতিহাসিক ভারতকে ‘নৃতত্ত্বের যাদুঘর’ বলে অভিহিত করেছেন? 


উঃ ভিনসেন্ট স্মিথ। 


15. ভারতকে কার দান বলা হয়? 


উঃ হিমালয়ের দান বলা হয়। 


16. ভারতের মধ্যভাগে দণ্ডায়মান বিন্ধ্য পর্বতমালা ভারতকে কোন দুই ভাগে বিভক্ত করেছেন? 


উঃ আর্যাবর্ত ও দাক্ষিণাত্য। 


17. ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট স্মিথ ভারতবাসীর সমন্বয়ের আদর্শকে কি বলে আখ্যায়িত করেছেন?


উঃ বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য। 


18. কার নাম অনুসারে ভারতবর্ষের নামকরণ করা হয়েছে বলে মনে করা হয়? 


উঃ পৌরাণিক রাজা ভরতের নাম অনুসারে। 


19. প্রাচীন গ্রীসের ইতিহাস কে রচনা করেছেন? 


উঃ হেরোডোটাস ও থুকিদিদিস। 


20. প্রাচীন রোমের ইতিহাস কে রচনা করেছেন? 


উঃ পলিবিয়াস ও লিভি। 


21. কাকে ইতিহাসের জনক বলা হয়? 


হেরোডোটাসকে। 


22. পৃথিবীর প্রাচীনতম বন্দরের নাম কী? 


উঃ লোথাল। 


23. গৌড়বহ গ্রন্থটির লেখক কে? 


উঃ বাক্‌পতিরাজ। 


24. তারানাথ কোন দেশের লোক? তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম কী? 


উঃ তিব্বতের লোক। তাঁর রচিত গ্রন্থের নাম ‘দুলভা’ ও ‘তাংগ্যুর’। 


25. ‘পেরিপ্লাস অফ দি ইরিথ্রিয়ান সী’ কার রচনা?


উঃ অজ্ঞাতানামা গ্রীক নাবিকের। 


26. ‘জুনাগড় লিপি কোন শাসকের? 


উঃ শক রাজা রুদ্রদামনের। 


27. প্রাচীন ভারতের দুটি মহাকাব্যের নাম কর। 


উঃ রামায়ণ ও মহাভারত। 


28. আলবেরুনী কোন দেশের লোক? 


উঃ আরব দেশের। 


29. ‘রাজতরঙ্গিনী’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে? এই গ্রন্থে কোথাকার ইতিহাস বর্ণিত আছে? 


উঃ কলহন। কাশ্মীরের ইতিহাস বর্ণিত আছে। 


30. আর্যরা কোন জাতির বংশধর? 


উঃ নর্ডিক জাতির বংশধর। 


31. ভারতের উত্তর–পশ্চিম সীমান্তের তিনটি গিরিপথের নাম কর? 


উঃ খাইবার, গোমাল ও বোলান। 


32. কোন অঞ্চলকে দাক্ষিণাত্য বলা হয়? 


উঃ বিন্ধ্যপর্বতের দক্ষিণদিকের ভূভাগ। 


33. ভারতের কোন অঞ্চল আর্যাবর্ত নামে পরিচিত? 


উঃ বিন্ধ্যপর্বতের উত্তর থেকে হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চল পর্যন্ত ভূভাগ আর্যাবর্ত নামে পরিচিত। 


34. কোন পর্বতমালা উত্তর ও দক্ষিণ ভারতকে পৃথক করেছে? 


উঃ বিন্ধ্য পর্বতমালা। 


35. কোন পর্বতমালা ভারতকে এশিয়ার অন্যান্য দেশ থেকে পৃথক করেছে? 


উঃ হিমালয় পর্বতমালা ও তার শাখাপ্রশাখা। 


36. ভারতবর্ষ নামের উৎপত্তি কিভাবে? 


উঃ পুরাণ অনুসারে প্রাচীনকালে একচ্ছত্র সম্রাট ভরতের নামানুসারে ‘ভারতবর্ষ’ নাম হয়েছে। 


37. মহেঞ্জদারো ও হরপ্পা বর্তমানে কোন রাষ্ট্রের অন্তর্গত? 


উঃ পাকিস্তানের অন্তর্গত। সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায় মহেঞ্জোদারো এবং পাঞ্জাবের মণ্টগোমারী জেলায় হরপ্পা অবস্থিত ছিল। 


38. সিন্ধু সভ্যতার কয়টি নগরের ধ্বংসাবশেষ এখন পর্যন্ত পাওয়া গিয়েছে সেগুলি কী কী? 


উঃ ৬টি নগরের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। । সেগুলি হল – হরপ্পা, মহেঞ্জদারো, চানহুদরো, লোথাল, কালিবনগান এবং বনওয়ালি। 


39. সিন্ধু সভ্যতার বৃহৎ স্নানাগারটি কোথায় আবিষ্কৃত হয়েছে? 


উঃ মহেঞ্জরাদোয়। 


40. মহেঞ্জদাড়োয় নগরের কয়টি স্তর পাওয়া গিয়েছে? 


উঃ ৭টি স্তর। 


41. সিন্ধু সভ্যতায় কোন ধাতু ব্যবহৃত হত? 


উঃ তামা ও ব্রোঞ্চ। 


42. সিন্ধু সভ্যতা কোন যুগের? 


উঃ তাম্রপ্রস্তর যুগের। 


43. সিন্ধু সভ্যতায় কার উপাসনা হত? 


উঃ মাতৃকাদেবী ও শিবলিঙ্গের। 


44. সিন্ধু সভ্যতা কী ধরণের সভ্যতা? 


উঃ নগরকেন্দ্রিক সভ্যতা। 


45. মহেঞ্জদারো কথাটির অর্থ কী? 


উঃ মৃতের সমাধি।





বৈদিক সভ্যতা


1. আর্যদের আদি বাসস্থান কোথায় ছিল? 


উঃ রাশিয়ার উরাল পর্বতের পাদদেশে। 


2. আর্যজাতির প্রাচীনতম সাহিত্যের নাম কী? 


উঃ ঋক্‌বেদ। 


3. ‘বেদ’ শব্দের অর্থ কী? 


উঃ জ্ঞান। 


4. বেদকে নিত্য ও অপৌরুষেয় বলা হয় কেন? 


উঃ হিন্দুদের বিশ্বাস বেদ মানুষের রচনা নয়, স্বয়ং ঈশ্বরের বাণী। তাই বেদকে নিত্য ও অপৌরুষেয় বলা হয়। 


5. বেদের অপর নাম শ্রুতি কেন? 


উঃ প্রাচীন কালে ঋষিরা বেদ শুনে শুনে মনে রাখতেন বলে বেদের অপর নাম শ্রুতি। 


6. বেদের ক’টি ভাগ? কী কী? 


উঃ চারটি ভাগ। ঋক্‌, সাম, যজু এবং অথর্ব। 


7. সবচেয়ে প্রাচীন বেদ কোনটি? কোন সময়ে সেটি রচিত? 


উঃ ঋক্‌বেদ। আনুমানিক ১৪০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দ থেকে ১০০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দের মধ্যে রচিত। 


8. চারটি বেদের বর্ণনীয় বিষয়গুলি কী কী? 


উঃ প্রাকৃতিক বর্ণনা ও প্রকৃতির দেবদেবীর স্তুতিগানই ঋক্‌বেদের বিষয়বস্তু। 


সামবেদে আছে স্ত্রোত্র। 


যর্জুবেদে আছে যাগযজ্ঞের মন্ত্রাদি। 


অথর্ব বেদে আছে সৃষ্টি রহস্য, চিকিৎসাবিদ্যা ও নানা বশীকরণ। 


9. বেদান্ত কাকে বলা হয়? 


উঃ উপনিষদ বেদের শেষ ভাগ তাই একে বেদান্ত বলে। 


10. বেদাঙ্গ কাকে বলে? 


উঃ বেদ পাঠের জন্য যে ৬টি বিদ্যার প্রয়োজন হয় তাকে বেদাঙ্গ বলে। এগুলি হল – শিক্ষা, ছন্দ, ব্যাকরণ, নিরুক্ত, জ্যোতিষ ও কল্প। 


11. বৈদিক যুগে গ্রামের শাসনকর্তাকে কী বলা হত? 


উঃ গ্রামণী বলা হত। 


12. বৈদিক যুগে বিশের প্রধানকে কী বলা হত? 


উঃ বিশ্‌পতি বলা হত। 


13. বৈদিক যুগে জনের প্রধানকে কী বলা হত? 


উঃ গোপ বলা হত। 


14. বৈদিক যুগে ‘সভা ও সমিতি’ কাদের নিয়ে গঠিত হত? 


উঃ সভা গঠিত হত বয়োজ্যেষ্ঠ ও জ্ঞানবৃদ্ধদের নিয়ে । আর সমিতিতে গোষ্ঠীর সকল স্বাধীন মানুষ এমনকি নারীরাও যোগ দিতেন। 


15. বৈদিক যুগে পুলিশকে কী বলা হত? 


উঃ উগ্র বলা হত। 


16. বৈদিক যুগে পারস্পরিক বিবাদে যিনি মধ্যস্থতা করতেন তাঁকে কী বলা হত? 


উঃ মধ্যমসি বলা হত। 


17. বৈদিক যুগে গ্রামে যিনি বিচারকের কাজ করতেন তাঁকে কী বলা হত? 


উঃ গ্রাম্যবাদিন বলা হত। 


18. বৈদিক যুগে পরিবারকে কী বলা হত? 


উঃ কুল বলা হত। 


19. বৈদিক যুগে পরিবারের প্রধানকে কী বলা হত? 


উঃ কুলপতি বা কুলুপ বলা হত। 


20. বৈদিক যুগের কয়েকজন নারীর উল্লেখ কর। 


উঃ অপালা, ঘোষা, বিশ্ববারা, মমতা, লোপামুদ্রা ইত্যাদি। 


21. আর্যরা ক’টি শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল? কী কী? 


উঃ দুটি শ্রেণিতে বিভক্ত ছিল। শ্বেতকায় আর্য এবং কৃষ্ণকায় আর্য। 


22. বৈদিক যুগে আর্য সন্তানের জীবন ক’টি ভাগে বিভক্ত ছিল? কী কী? 


উঃ চারটি ভাগে। ব্রহ্মচর্য, গার্হস্থ, বাণপ্রস্থ ও সন্ন্যাস। 


23. ঋগ্বেদে যুদ্ধের অপর নাম কী? 


উঃ গাভিষ্টি। 


24. বৈদিক যুগে বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম কী ছিল? 


উঃ গোরু। 


25. বৈদিক যুগে প্রচলিত দু’টি স্বর্ণ মূদ্রার নাম লেখ। 


উঃ মনা ও নিষ্ক। 


26. বৈদিক যুগে প্রচলিত দু’ধরণের করের নাম লেখ। 


উঃ বলি ও শুল্ক। 


27. বৈদিক যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ দেবতা কে ছিল? তাঁর উদ্দেশ্যে ঋগ্বেদে কটি স্তোত্র আছে? 


উঃ ইন্দ্র। ২৫০ টি স্তোত্র আছে।






জৈন ও বৌদ্ধ ধর্ম


1. মোট কয়জন তীর্থঙ্করের সন্ধান পাওয়া যায়? 


উঃ ২৪ জন। 


2. প্রথম ও শেষ তীর্থঙ্করের নাম লেখ। 


উঃ প্রথম তীর্থঙ্কর হলেন ঋষভনাথ। আর শেষ তীর্থঙ্কর হলেন মহাবীর। 


3. ত্রয়োবিংশ বা তেইশতম তীর্থঙ্কর কে ছিলেন? কবে, কোথায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন? কত বছর বয়সে তিনি সংসার ত্যাগ করেন? 


উঃ পার্শ্বনাথ। তিনিই ছিলেন জৈন ধর্মের প্রকৃত প্রবর্তক। খ্রীষ্টপূর্ব অষ্টম শতকে কাশীর এক রাজবংশে তাঁর জন্ম। ত্রিশ বছর বয়সে তিনি সংসার ত্যাগ করেন। 


4. চতুর্যাম কি? 


উঃ অহিংসা, সত্য, অচৌর্য ও অপরিগ্রহ- এই চারটি আদর্শ হল পার্শ্বনাথ প্রবর্তিত ধর্মের মূল কথা। এগুলিকে চতুর্যাম বলা হয়। 


5. কবে, কোথায় মহাবীরের জন্ম হয়? 


উঃ আনুমানিক ৫৪০ খ্রীঃ পূর্বাব্দে বৈশালীর উপকন্ঠে কুন্দগ্রাম বা কুন্দপুর নাম স্থানে জ্ঞাতৃক নামক ক্ষত্রিয় রাজকুলে মহাবীরের জন্ম হয়। 


6. মহাবীরের পিতৃদত্ত নাম কী ছিল? 


উঃ বর্ধমান। 


7. মহাবীরের পিতা ও মাতার নাম কী? 


উঃ পিতার নাম সিদ্ধার্থ ও মাতা ছিলেন লিচ্ছবী বংশীয়া রাজকন্যা ত্রিশলা। 


8. মহাবীরের স্ত্রীর নাম কী? 


উঃ মহাবীরের স্ত্রীর নাম যশোদা। 


9. মহাবীর কত বছর বয়সে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন?


উঃ মহাবীর ৩০ বছর বয়সে সন্ন্যাস গ্রহণ করেন।


10. কোন নদীর তীরে এবং কোন গাছের নীচে মহাবীর সিদ্ধিলাভ করেন? 


উঃ দীর্ঘ ১২ বছর ঋজুপালিকা নদীর তীরে এক শাল গাছের নীচে সাধনার পর তিনি সিদ্ধিলাভ করেন। 


11. কত সালে, কত বছর বয়সে, কোথায় মহাবীর দেহত্যাগ করেন? 


উঃ আনুমানিক ৪৬৮ খ্রীঃ পূর্বাব্দে ৭২ বছর বয়সে রাজগৃহের কাছে পাবা নগরীতে তিনি অনশনে স্বেচ্ছা মৃত্যু বরণ করেন। 


12. পঞ্চমহাব্রত কী? 


উঃ মহাবীর পার্শ্বনাথ প্রবর্তিত চতুর্যামের সঙ্গে আর একটি নীতি যুক্ত করেন সেটি হল ব্রহ্মচর্য। এই পাঁচটি নীতিকে বলা হয় পঞ্চ মহাব্রত। 


13. ত্রিরত্ন কী? 


উঃ সত্য বিশ্বাস, সত্য জ্ঞান এবং সত্য আচরণ এই তিনটিকে ত্রিরত্ন বলা হয়। 


14. কোন কোন রাজা জৈন ধর্মের সমর্থক ছিলেন? 


উঃ মগধরাজ বিম্বিসার, অজাতশত্রু, চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য প্রমুখ। 


15. মহাবীরের মৃত্যুর পর জৈনরা ক’টি ভাগে ভাগ হয়ে যায়? কী কী? প্রত্যেক দলের নেতাদের নাম লেখ। 


উঃ দুটি ভাগে। দিগম্বর ও শ্বেতাম্বর। দিগম্বর দলের নেতা ছিলেন ভদ্রবাহু, আর শ্বেতাম্বর দলের নেতা ছিলেন স্থূলভদ্র। 


16. জৈনদের আদি শাস্ত্রগ্রন্থ কাকে বলা হয়? গ্রন্থটি ক’টি পর্বে রচিত? 


উঃ ভদ্রবাহু রচিত কল্পসূত্রকে জৈনদের আদিশাস্ত্রগ্রন্থ বলা হয়। গ্রন্থটি ১৪ টি পর্বে বিভক্ত।


17. কোন কোন গ্রন্থ থেকে বুদ্ধদেবের জীবন সম্পর্কে জানা যায়? 


উঃ সূত্ত নিপাত, জাতক, মহাবংশ, দীপবংশ, অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত এবং সংস্কৃত ললিতবিস্তার থেকে বুদ্ধদেবের জীবন সম্পর্কে জানা যায়। 


18. কবে কোথায় গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেন? 


উঃ আনুমানিক ৫৬৬ খীষ্টপূর্বাব্দে নেপালের তরাই অঞ্চলে কপিলাবস্তু রাজ্যে শাক্য বংশে গৌতম বুদ্ধ জন্মগ্রহণ করেন। 


19. গৌতম বুদ্ধের পিতা ও মাতার নাম কী? 


উঃ পিতার নাম শুদ্ধোধন ও মাতার নাম মায়াদেবী। তিনি ছিলেন দেবদহের রাজকন্যা। 


20. গৌতম বুদ্ধের বাল্যনাম কী ছিল? 


উঃ সিদ্ধার্থ। 


21. গৌতম বুদ্ধের স্ত্রী ও পুত্রের নাম কী ছিল? 


উঃ স্ত্রীর নাম গোপা (মতান্তরে যশোধরা) আর পুত্রের নাম রাহুল। 


22. কত বছর বয়সে গৌতম বুদ্ধ বোধি লাভ করেন? 


উঃ ৩৫ বছর বয়সে বোধি লাভ করেন। 


23. কত বছর বয়সে, কোথায় গৌতম বুদ্ধ দেহত্যাগ করেন? 


উঃ ৪৮৬ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে ৮০ বছর বয়সে মন্ন রাজ্যের রাজধানী কুশীনগরে (বর্তমানে উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুর জেলায় কাশিয়া) তিনি দেহত্যাগ করেন। 


24. মহাপরিনির্বাণ কী? 


উঃ বুদ্ধদেবের দেহত্যাগকে বৌদ্ধশাস্ত্রে মহাপরিনির্বাণ বলা হয়। 


25. অষ্টাঙ্গিক মার্গ কী? 


উঃ মানুষের আসক্তি বিনাশের জন্য বুদ্ধদেব যে ৮টি পথের কথা বলেন। এগুলি অষ্টাঙ্গিক মার্গ নামে পরিচিত। 


26. বৌদ্ধদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী? এটি কোন ভাষায় রচিত? গ্রন্থটি ক’টি ভাগে বিভক্ত ও কী কী? 


উঃ ত্রিপিটক। এটি পালি ভাষায় রচিত। গ্রন্থটি তিনটি ভাগে বিভক্ত সূত্ত পিটক, বিনয় পিটক এবং অভিধর্ম পিটক। 


27. গৌতম বুদ্ধের মৃত্যুর পর বৌদ্ধরা ক’টি সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়ে যায় ও কী কী? 


উঃ হীনযান ও মহাযান, এই দুটি সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়ে যায়। 


28. অশ্বঘোষের রচিত গ্রন্থটির নাম কি? 


উঃ বুদ্ধচরিত। 


29. জৈনদের ধর্মশাস্ত্রের নাম কী? 


উঃ আগম। 


30. বৌদ্ধধর্ম প্রচারক দুজন সম্রাটের নাম কর। 


উঃ সম্রাট অশোক ও সম্রাট কনিষ্ক।

No comments

Powered by Blogger.